সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কর্ম সাথী প্রকল্প কি | karma sathi prakalpa

 Bangla prakalpa গ্রাম বাংলার গরিব ছেলে মেয়েদের স্বনির্ভর করার জন্য রাজ্য সরকার শুরু করলো কর্ম সাথী প্রকল্প karma sathi prakalpa। এই কর্ম সাথী প্রকল্প কি এবং কিভাবে আবেদন করবেন তা পুরোপুরি জানতে পারবেন।

karma sathi prakalpa from


 কর্ম সাথী প্রকল্প কি

 West Bengal সরকার গরিব ছেলে মেয়েরা যারা বেকার হয়ে বাড়িতে বসে আছে তাদের জন্য নতুন একটা প্রকল্প নিয়ে যাচ্ছে যার নাম কর্ম সাথী প্রকল্প karma sathi prakalpa ।প্রকল্পের অর্থহীন বেকার যুবক ছেলে মেয়েদের জন্য সরকার থেকে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে। এই অর্থের মাধ্যমে আপনারা নিজেরা কোন কাজ করতে চাইলে এই অর্থকে লাগিয়ে আপনারা অনির্বাণ হতে পারবেন। এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার 500 কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

 আমাদের স্থানীয় যে  সমবায় ব্যাংক গুলি রয়েছে তার মাধ্যমে আপনি 2 লাখ টাকা পর্যন্ত লোন Karma Sathi loan দিতে পারে ।  আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন সরকার karma sathi prakalpa in bengali আমাদের লোন দিচ্ছে, আপনি ঠিকই ধরেছেন আপনাকে লোন দেওয়া হবে  এবং এই lon subsidy বা ভর্তুকি দেবে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পে ছেলেমেয়েরা ছোট মাঝারি শিল্প বাবা ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হতে পারবে। বেকার ছেলে মেয়েদের নিয়ে যে পরিকল্পনা করেছে government অনেকটা লাভ হবে বলে মনে করা হচ্ছে এবং অনেক বিশ্লেষকদের মত প্রকাশ করেছে।

  কর্ম সাথী প্রকল্পের উদ্দেশ্য

 পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের karma sathi prakalpa 2020 যুবকদের পরিষেবা দেওয়া ও ছোটখাটো শিল্প ব্যবসা নতুন উদ্যোগ তৈরি করা এবং যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের প্রতিস্থাপন এর নতুন করে একটা সুযোগ তৈরি করে দেওয়া।

  1.  আমাদের রাজ্যে গ্রাম এবং শহর (village and city) দুটোতেই নিজস্ব যুক্ত কাজ খুঁজে নেওয়ার ও সুযোগ তৈরি করে দেওয়া।
  2.  পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে ছোট ক্ষুদ্র শিল্প (small business) গুলি অনেক বন্ধর হয়ে গেছে সেগুলো কে পুনরুজ্জীবিত করে তুলে ধরা।

 কর্ম সাথী প্রকল্পটির কতদিন চলবে

 পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন উদ্যোগ এর কর্ম সাথী প্রকল্প টি আগামী 3 বছর ধরে চলবে বলে জানানো হয়েছে। কর্ম সাথী প্রকল্প টি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে 9/9/20 বিজ্ঞপ্তি নং : 1825/MSMET-18011(11)/4/2020 বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছে : 9th September, 20। শুধু তাই নয় এদের মধ্যে কাইটেরিয়া গুলি কি কি রয়েছে এটাও জানানো হয়েছে।

 কর্ম সাথী প্রকল্পের যোগ্যতা

 এই প্রকল্পের যোগ্যতা বলতে সমস্ত কিছু  শর্তগুলো বা karma sathi prakalp form  পূরণ করে সমস্ত  সম্ভাব্য আবেদনকারীরা আবেদন করতে পারেন। আপনার পরিবারের যেকোনো এক ব্যক্তি এই Karma Sathi Apply Online প্রকল্পে লাভ যেতে পারেন। আপনার পরিবারের যদি বাবা-মা বা আপনার স্ত্রী তাহলে তাদের মধ্যে যে কোন একজন আবেদন বা application করতে পারবেন।

 কর্ম সাথী প্রকল্পের আবেদনকারী বয়স সীমা

 এই প্রকল্পে আবেদনকারী দের বয়স 18 থেকে 50 বছরের মধ্যে হতে হবে। যদি আপনার 50 বছরের উর্ধ্বে বয়স হয় তাহলে কর্ম সাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করাতে পারবেন না।

 শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে থাকতে গেলে কমসে কম 8th pass  হতে হবে। যদি আপনি অষ্টম  পাসের নিচে হন তাহলে এই যোজনার লাভ পেতে পারবেনা। যদি আপনার কর্মসংস্থান ব্যাংকে নাম থাকে বা Employment Bank অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে আপনি আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি গ্রহণ করা হবে না।

 প্রকল্পের সাবসিটি পরিমাণ কত

1/ দুই ধরনের এই প্রকল্পের দুই ধরনের subsity পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।

2/ এই প্রকল্প খরচের 15% বা কমসে কম 25 হাজার টাকা হবে।

3/ব্যক্তিদের সমবায় ব্যাংকে বা Cooperative Bank  সুদ দেয় সেই সুদ দেওয়া হবে।

4/  ব্যাংকের সুদ যদি সময়মতো প্রদান করে তাহলে ওই ব্যক্তিকে 50% দেওয়া হবে। তবে টাকা পরিশোধের মেয়াদ কমসেকম 3 বছরের মধ্যে হতে হবে।

5/ তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে সুদের পরিমাণ 40% হতে পারে তিন বছরের মধ্যে।

 প্রকল্প অনুযায়ী বিনিয়োগ

 কর্ম সাথী প্রকল্পের 'karma sathi prakalpa' অনুমতি পেলে কিছু নিয়ম মেনে আপনাকে কমসেকম নিজের অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে।

1/ যদি আপনার  50,000 টাকা পর্যন্ত খচা হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে 5 পার্সেন্ট হারে প্রকল্পের সমস্ত বিভাগের জন্য।

2/প্রকল্পের ব্যযে 50,000 এর উপরে: এসসি / এসটি / মহিলা / স্বতন্ত্র সংখ্যালঘু / সংখ্যালঘুদের জন্য প্রকল্প ব্যয়ের ৫% এবং অন্যান্য দের ক্ষেত্রে ১০ % হারে।

 কর্ম সাথী প্রকল্পের আবেদন

 কর্ম সাথী প্রকল্পের আবেদন "karma sathi prakalpa application" দুই রকম করা যেতে পারে

1/ অনলাইনেও আবেদন করতে পারবেন online application

2/  অফলাইনেও আবেদন করতে পারবেন offline application

জেসব ব্যক্তিরা কর্ম সাথী প্রকল্পের আবেদন karma sathi prakalpa online application করতে চান কিছু নির্দিষ্ট বয়ান অনুযায়ী আপনারা আবেদন করতে পারেন। আপনারা এই প্রকল্পে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আবেদন করতে পারবেন।

  কর্ম সাথী প্রকল্প ফরম  karma sathi prakalpa from কিভাবে পাবে

1/ যদি আপনি  কর্ম সাথী প্রকল্পের ফর্ম 'karma sathi prakalpa form' পেতে চান তাহলে আপনার স্থানীয় B.D.O অফিসে গিয়ে ফরম টি সংগ্রহ করতে পারবেন।

2/ আপনি যদি পৌরসভা এলাকায় বাস করেন তাহলে আপনাকে S.D.O অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করুন।

3/ আপনি যদি কলকাতা শহরের মধ্যে বাস করেন তাহলে আপনাকে Kolkata Municipal Corporation অফিসে গিয়ে এই ফর্ম সংগ্রহ করতে পারেন ।

  আবেদনকারীর তথ্য কি কি লাগবে

 আবেদন ফর্ম application form অনুযায়ী সঠিকভাবে পূরণ করিতে হইবে। যদি আবেদন করছেন তার প্রত্যেকটি করিতে  নিজের স্বাক্ষর করতে হইবে।

   সঠিক পরিচয় পত্র সংগ্রহ করবেন

  স্থায়ী বাসিন্দা সার্টিফিকেট Certificate  আপনার এলাকার অঞ্চল অফিস সংগ্রহ করতে হইবে।

   আপনার বয়সের উপযুক্ত প্রমান পত্র age Certificate সংগ্রহ করিয়া রাখিবেন।

    Voter card  এবং Adhar card একটা করে জেরক্স কপি দিতে হইবে

     ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট বই একটা ফটো লাগবে।

 সাধারণভাবে আপনার নিশ্চয়ই জানতে পারলে কর্ম সাথী প্রকল্প কিভাবে karma sathi prakalpa এপ্লিকেশন করবেন বা কিভাবে আপনার ফরম ফিলাপ করবেন এই কর্ম সাথী প্রকল্প । karma sathi prakalpa 2020 মাধ্যমে কয়েক লক্ষ মানুষ হয়তো সরকারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিজের ব্যবসা  শুরু করে ফেলবে। আপনারা দেখেছেন পশ্চিমবঙ্গের দুর্দশা বিশেষ করে বেকার ছেলে মেয়েদের  karma sathi prakalpa form কতটা কজ্যকর হয়। এই প্রকল্পে হয়তো কোন মানুষ ব্যবসা শুরু করে তার সংসার পরিবার খুব স্বাচ্ছন্দে কাটাতে পারবে।

 আশা করি আপনাদের খুব ভালো লেগেছে এবং লেটেস্ট আপডেট পেতে এই ওয়েবসাইটটি দিকে সাবস্ক্রাইব করে রাখবেন যাতে পরবর্তী আর্টিকেলের সাবমিট করার আগে নোটিফিকেশন আপনার কাছে পৌঁছে যাবে।

karma sathi prakalpa from download 

               👉 [Clik to download ]👈

Pradhan mantri awash yojana online apply 

Bangla awas yojana online apply 

Online rojgar tips




শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

কৃষক বন্ধু ফরম ফিলাপ ও লিস্ট চেক কিভাবে করবেন। Krishak Bandhu List cheque

 আপনারা নিশ্চয়ই জানেন Krishak Bandhu List cheque পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য কৃষক বন্ধু প্রকল্প  শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। কৃষক বন্ধু 2020 এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য গরিব চাষিদের জন্য আর্থিক সাহায্য করার। যে সমস্ত গরিব চাষীরা পয়সার অভাবে ঠিক ভাবে চাষ করতে পারেনা তাদের প্রত্যেক বছর দুই কিস্তিতে 2500 টাকা করে দুইবার দেওয়া হবে এবং বীমা স্বরূপ কোন কৃষকের মৃত্যু হলে 2 লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হবে। Krishak Bandhu form Fillup করতে পারেন


কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ফিলাপ


আপনার যদি কৃষি কাজের জন্য জায়গা থাকে এবং ওই জায়গায়  চাষাবাদ করেন তাহলে আপনি কৃষক বন্ধু ফরম ফিলাপ করতে পারেন। এই ফরমটি আপনারা  Krishak Bandhu form Fillup যে কোন চাষের জন্য যেমন ধান, গম, সবজি, পাট, যে কোন চাষের জায়গা থাকে  তাহলে অতিসত্বর আপনারা ফরমটি ফিলাপ করতে পারেন।


কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ফিলাপ পদ্ধতি 


 আপনার কাছে যে ফরমটি থাকবে তার উপরে লেখা থাকবে বড় অক্ষরের পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষি বিভাগ। এই লিখার সাইডে খালি জায়গায় লেখা থাকবে আবেদনপত্রের নম্বর। Krishak Bandhu form fillup

 এই জায়গায় বলিতে সাধারণত আপনাকে কিছু করতে হবে না। সেই জায়গাগুলিতে আপনাকে ফরম ফিলাপ করতে হবে সেটা স্টেপ বাই স্টেপ আপনাকে নিচে দেওয়া হবে। Krishak Bandhu Death Benefit form in Bengali সুবিধার্থে একটি ফোনে স্ক্রিনশট দোয়া রয়েছে আপনারা ফলো করতে পারেন।

  1.   এক নম্বরে যেটা রয়েছে যে ব্যাক্তি আবেদন করছেন সেই ব্যক্তির পুরো নাম বাংলাতে লিখতে হবে।
  2.    আবেদনকারীর পিতার নাম বা স্বামীর নাম লিখতে হবে।
  3.  যিনি আবেদন করছেন তার জন্মতারিখ ফাঁকা জায়গায় গুলো রয়েছে, যে ওইগুলো বসাতে হবে। এমনভাবে বসাবে যাতে বুঝতে সুবিধা হয়।
  4. আপনি পুরুষ কি মহিলা বা অন্যান্য কিছু যদি হয়ে থাকে ছোট ছোট বক্সে যে রয়েছে আপনি যদি স্ত্রী হন স্ত্রী বক্স টিক চিহ্ন দিবে এবং পুরুষে পুরুষে জায়গায় ঠিক  মার্ক দেবেন।
  5.  এই জায়গাতে কৃষকের ধরন দিতে হবে। যদি আপনি ভাগচাষী হন তাহলে ভাগচাষীবক্সের টিক চিহ্ন মারবেন। যদি আপনার নিজের জায়গা হয় তাহলে মালিক আনায় টিক মারবেন।
  6.  আবেদনকারীর মোবাইল নাম্বার সঠিকভাবে দেবেন। যে মোবাইলটি সচরাচর ব্যবহার করেন সেই মোবাইল নাম্বারটি অবশ্যই দিবেন। এই মোবাইল নাম্বারটি সাহায্যে আপনারা আপডেট পেতে থাকবেন কবে আপনার পয়সা অ্যাকাউন্ট এ আসবে এবং নানা রকম তথ্য মোবাইল মাধ্যমে পেতে পারেন তাই মোবাইল নাম্বারটা সঠিক দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
  7.   আপনার যদি কেসিসি থাকে তাহলে  হাঁ বক্সে টিক চিহ্ন মারবেন না থাকলে না তে টিক মারবেন। যদি আপনার কি হয়েছে থাকে তাহলে কেসিসি একাউন্টের নাম্বার টি আপনারা ফাঁকা জায়গা টি ফিলাপ করবেন।
  8.   কৃষি জমির তথ্য আবেদনকারীর সাম্প্রতিক পর্চা নিজের স্বাক্ষরযুক্ত ফটোকপি বাধ্যতামূলক দিতে হবে। নিচের বিবরণ গুলি ফলো করে সম্পূর্ণ সঠিক ভাবে আপনাকে ফিলাপ করতে হবে।  যেমন প্রথমে যেটা রয়েছে আপনার ব্লগ, মৌজা, জে এল নাম্বার, খতিয়ান নাম্বার,প্লট নম্বর এবং জমির পরিমাণ সঠিকভাবে পূরণ করবে।


কৃষক বন্ধু যোজনা ব্যাংক তথ্য


 কৃষক বন্ধু  ফর্ম ফিলাপ করার সময় ব্যাংক তথ্যটি অত্যন্ত দরকার রয়েছে। এই ব্যাংক তথ্যটি আপনাকে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এই তথ্যগুলি পূরণ করার শেষে আরও একবার করে দেখে নেবেন যাতে কোন কোথাও ভুল না হয়ে যায়। Krishak Bandhu Yojana

  •  প্রথমে  অ্যাকাউন্ট নাম্বার টা দিবেন।
  •  আপনার ব্যাংকের আইএফসি কোড দিবেন।
  •   যে ব্যাংকের আপনার অ্যাকাউন্ট রয়েছে সেই ব্যাংক এর নাম।
  •   আপনার ব্যাংকটি ব্রাঞ্চ নামটি অবশ্যই দিবেন।
  •  আপনার ব্যাংকের অ্যাকাউন্টটি সেভিং কারেন্ট বা কেসিসি বক্সে গিয়ে টিক চিহ্ন দিন।
  •  তার নিচে রয়েছে আপনি যাবে ফরমটি জমা দেবেন  সেই দিনের তারিক অবশ্যই দিবেন এবং তার সাইটে আবেদনকারীর স্বাক্ষর টিপসই অবশ্যই দিতে হবে।


কৃষক বন্ধু প্রকল্প কি ডকুমেন্ট লাগে 


এই প্রকল্পের ফরম ফিলাপ করার পর অনেকগুলো ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হয়। এই ডকুমেন্টগুলো ভেরিফিকেশনের জন্য অত্যন্ত দরকার রয়েছে। সাবমিট করার আগে আপনাকে অরিজিনাল ডকুমেন্ট একটা করে জেরক্স করে ফরমের সঙ্গে লাগিয়ে আপনাকে রেডি রাখতে হবে।

  •   ভোটের কার্ড এর এক কপি জেরক্স লাগবে।
  • আধার কার্ডের জেরক্স এক কপি লাগবে।
  • আপনার নিজের নামের ব্যাংক একাউন্টের পাসবুক এর  সামনের পেজটিতে যার মধ্যে অ্যাকাউন্ট নাম্বার, আপনার নাম  নানান রকম তথ্য রয়েছে তারেক কপি জেরক্স লাগবে।
  • আপনার কৃষি জমিনের  সাম্প্রতিক পর্চা জেরক্স লাগবে। এই পর্চার মধ্যে সরকারি স্ট্যাম্প এবং বি এল আর অফিসারের স্বাক্ষর যুক্ত এক কপি জেরক্স লাগবে।
  • কৃষি জায়গার যতটুকু রয়েছে সেই জায়গার অঞ্চর টেক্সট বা খাজনা একখানা রশিদ লাগবে। এই খাজনার রশিদ সাম্প্রতিক বছরের হতে হবে।
  • আবেদনকারীর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ফটো লাগবে। এই ফটো লাগাতে হবে আপনার ফর্ম এর ডান সাইডে কনে।

এইসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি আপনার ফর্ম এর সঙ্গে লাগিয়ে একটা পিন করে নিবেন যাতে কাগজগুলি এলোমেলো না হয়।  প্রত্যেকটা কপিতে একটা করে আবেদনকারীর সই দিতে হবে। কৃষক বন্ধু যোজনা আবেদন করতে গেলে এইসব তথ্য গুলি অবশ্য প্রয়োজন রয়েছে।


কৃষক বন্ধু প্রকল্প অনলাইন ফরম

অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে কৃষক বন্ধু ফরম কোথা থেকে পাব এবং কিভাবে পাব? কৃষক বন্ধু ফরম অনলাইন থেকে পাবে না। কৃষক বন্ধু যোজনা এই ফ্রম পেতে হলে আপনাকে স্থানীয় বিডিও অফিস বা  আপনার স্থানীয় কৃষি দপ্তরে গিয়ে এই ফরমটি সংগ্রহ করতে পারেন। এই ফ্রম গুলি সাধারণত বছরে দুই বার করে দেওয়া হয়। কিছু বন্ধু আবেদন ফরম গুলি মার্চ  মাসি দেওয়া হয় এবং নভেম্বর ডিসেম্বর মাসে পুনরায় দেওয়া হয়। সেই সময় আপনার ফরম ফিলাপ করে সাবমিট করতে পারেন।


কৃষক বন্ধু চেক লিস্ট 2020


 কৃষক বন্ধু লিস্ট চেক করার জন্য কোন বিকল্প নেই। এই লিস্ট গুলি সাধারণত কৃষি দপ্তর এবং ভিডিও  অফিসের মধ্যে অফিশিয়াল ভাবে থাকে। আপনার যদি ভাবেন  কৃষক বন্ধু লিস্ট অনলাইন চেক করবেন তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। কৃষক বন্ধু প্রকল্প নামের লিস্ট 2020 এই লিস্ট পাবলিক দের জন্য নয়। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষক বন্ধু চেক লিস্ট  করার জন্য কোন অনলাইন বন্দোবস্ত করা নেই। আপনি যদি একান্ত চেক করতে চান তাহলে বিডিও অফিসে গিয়ে  বা আপনারা স্থানীয় অঞ্চলে গিয়ে কৃষক বন্ধু চেক লিস্ট 2020 করতে পারেন।


কৃষক বন্ধু app download 


কৃষক বন্ধু প্রকল্প অনেকে বলছেন app পাওয়া যাচ্ছে বা ডাউনলোড করা যাচ্ছে। আমরা এর আগে দেখেছি পশ্চিমবঙ্গের অনেকগুলো যোজনা বেরিয়েছিল সেগুলোর কোন অ্যাপ বেরোয়নি। আপনারা দেখবেন প্লে স্টোরে কৃষক বন্ধু অ্যাপ সার্চ করবেন, সেখানে দেখতে পাবেন অনেকগুলো অ্যাপ পাবেন। এই অ্যাপ গুলো সাধারণত কোনটাই অফিশিয়াল  ভাবে তৈরি করা হয়নি। কৃষক বন্ধু অ্যাপ ডাউনলোড করার চেষ্টা করবেন না। এতে কি হয় এসব থার্ড পারসন অ্যাপ আপনার পার্সোনাল ডাটা লিক হতে পারে। এই এগুলো থেকে আপনারা দূরে থাকবেন।


 কৃষক বন্ধু death বেনিফিসারী ফর্ম

 এই প্রকল্পে কৃষকদের জন্য দারুন আরো একটি সুবিধা দিয়ে রেখেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।  কোন কৃষকের অকাল মৃত্যু হয়ে গেলে পশ্চিমবঙ্গ সরকার দু লাখ টাকা পর্যন্ত দেবে। তাই পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রত্যেকটি কৃষকের Krishak Bandhu death Benefit Form দিয়ে রেখেছে। কোন  কৃষকের অকাল মৃত্যু হলে অতিসত্বর আপনার স্থানীয় পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। পঞ্চায়েত অফিস থেকে ডেট সার্টিফিকেট নিয়ে আপনারা বিডিও অফিসে গিয়ে Krishak Bandhu death Benefit Form নিয়ে ফিলাপ করে জমা করে দেবেন। এই ফর্মটা জমা করার পর ওই পরিবার লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেতে পারে।


 কৃষক বন্ধু পেনশন আছে কি:

 আপনারা জানেন প্রধানমন্ত্রীর পেনশন যোজনা চালু করেছে কিন্তু আমাদের Krishak Bandhu Pension পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষকদের জন্য পেনশন চালু করেনি। তাই কৃষক বন্ধু দের এরকম কোন যোজনা আপাতত জানা যায়নি।


আপনাদের জানলেন কৃষক বন্ধ প্রকল্পের যাবতীয় তথ্য।সত্যি কি আপনারা Krishak Bandhu cheque List করতে পারবে তাও পুরোপুরি জানতে পারলেন। এই আর্টিকেলটি দেখে আপনারা অতি সহজে কিভাবে Krishak Bandhu form Fillup ফরম ফিলাপ করতে পারবেন। কৃষক বন্ধু প্রকল্পের খুঁটিনাটি অন্যান্য ব্যাপারগুলো রয়েছে এই আর্টিকেলে অনেকটা তুলে ধরেছি। আশা করি আপনাদের কাছে কৃষক প্রকল্প টি অজানা ছিল এটা পড়ে আপনাদের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে। কৃষক বন্ধু প্রকল্প সম্বন্ধে আপনাদের কাছে কোন প্রশ্ন থাকলে আপনারা কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন এবং আমাদের ছোট্ট সাইটটিতে সাবস্ক্রাইব করে রাখবেন যাতে পরবর্তী আপডেট আপনাদের কাছে তাড়াতাড়ি পৌঁছে যায়। পারলে দয়া করে আমার এই আর্টিকেলটি আপনার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন। বুঝতে পারে এবং জানতে পারি এই ছোট্ট ছোট্ট তথ্যগুলি। অনেক গরিব মানুষ আছে যারা এসব তথ্য গুলি জানেনা। তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া টা অত্যন্ত দরকার রয়েছে।


কৃষক বন্ধু ফরম ফিলাপ

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০

pm-kisan samman nidhi yojana west bengal | প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি

 আপনারা কি জানেন প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প কি। pm-kisan samman nidhi yojana west bengal কি পাবে। প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জন্য প্রত্যেক বছর 6000 টাকা করে দিচ্ছে এই প্রকল্পে। এই প্রকল্পে  উপকৃত হয়েছে কয়েক কোটি কৃষক । প্রত্যেক বছর যেভাবে কৃষকের আত্মহত্যা করছে সেই কারণে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান যোজনা শুরু করেছে। এই যোজনা প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক বছর কয়েকশো কোটি টাকা দিচ্ছে কৃষকদের ডাইরেক্ট ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে। 

pm-kisan samman nidhi yojana west bengal



প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনা কি 

pradhanmantri kisan samman nidhi yojana। ভারত একটি কৃষি প্রধান দেশ। প্রধানমন্ত্রী তাই কৃষকের দুঃখ ঘোচাতে বা কৃষকদের সম্মান করে এই যোজনা টা আরম্ভ করা হয়েছে। যাতে এই যোজনার মাধ্যমে গরিব চাষীরা চাষ করার জন্য বা গরিব কিষান রা চাষ করার জন্য অনেক অর্থের সংকট হয়। প্রধানমন্ত্রী এই সংকট কাটাতে এই যোজনাতে  গরিব চাষিদের ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি বছরে তিনবার  2000 হাজার করে সম্মান হিসাবে চাষী বা কিষান দের দেওয়া হয়। তাই এই যোজনা টা কে pradhanmantri kisan samman nidhi yojana বলে।


প্রধানমন্ত্রী কিসান নিধি যোজনা আবেদন কিভাবে করবে

Pm-kisan বা প্রধানমন্ত্রী কিসান সম্মন নিধি যোজনা নাম নথিভুক্ত করতে খুব সহজ পদ্ধতি রয়েছে। PM Kisan Samman Nidhi Yojana West Bengal online registration আপনারা খুব সহজে এই প্রকল্পে অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন করতে পারেন। নিচের স্টেপ গুলি ফলো করে PM-kisan samman nidhi yojana west Bengal from ফিলাপ করতে পারেন।

Stap-1  প্রথমে আপনি আপনার মোবাইল থেকে কিংবা কম্পিউটার থেকে যেকোন একটা ব্রাউজার ওপেন করে নিন। সার্চ বারে গিয়ে টাইপ করুন pm-kisan.gov.in  দিয়ে সার্চ করুন।

Stap-2  pm-kisan অফিশিয়াল সাইট ওপেন হয়ে যাবে।  এখানে এসে ফার্মার কর্নার (Farmers Corner) অপশনটি বেছে নিন আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে স্ক্রিনের বাম সাইডের দিকে রয়েছে।

Stap-3  ফার্মার কর্নারে প্রথম অপশনটিতে রয়েছে

New Farmer Registration। আপনি New Farmer Registration এ ক্লিক করে দিন। আপনার কাছে নতুন একটি উইন্ডো খুলে যাবে।

Stap-4  নতুন উইন্ডো টি খোলার পর এখানে দেখতে  পাবেন আধার কার্ড নাম্বার এবং একটি ক্যাপচা কোডের বক্স। আধার কার্ডের বক্সে আপনার আধার কার্ডের নাম্বার টা দিবেন এবং ক্যাপচার করে বক্সে সঠিক  ক্যাপচা কোড ফিলাপ করে নেক্সট করে দিন।

Stap-5  আপনার সামনে আবার একটি উইন্ডো খুলে যাবে যদি আপনি সঠিক আধার কার্ড নাম্বারটি দিয়ে থাকেন। এই পেজটিতে পিএম কিষান সম্মান নিধি যোজনা ফর্ম ওপেন হয়ে যাবে। এই  ফ্রম টিতে নির্দেশ অনুযায়ী ফিলাপ করে নেবে। এই ফর্ম এরমধ্যে যতগুলো খালি বক্স রয়েছে যথাযথভাবে সঠিকভাবে পূরণ করে নেবেন। নিচের দিকে গিয়ে সাবমিট অপশনে গিয়ে সাবমিট করে দেবেন। তাহলে আপনার সঠিকভাবে ফরম পূরণ হবে।

পিএম কিষান সম্মান নিধি যোজনা 2020 লিস্ট

আমরা সবাই চাই সঠিক ভাবে এই  কিষান যোজনা নাম আসে। যদি আপনার যোজনায় নাম এসে থাকে তাহলে আপনারা কিভাবে pradhanmantri kisan samman yojana list 2020 চেক করবেন।

গুগোল কিংবা ক্রোম ব্রাউজারে টাইপ করে  লিখেন pm-kisan.gov.in সার্চ দিবেন। আপনার কাছে pm-kisan এর অফিশিয়াল সাইট ওপেন হয়ে যাবে।   এই সাইটটিতে আসার পর  ফার্মার কর্নার অপশন  খুঁজে বার করুন। বেনিফিসারী লিস্ট খুঁজে ক্লিক করুন অপশনটিতে।

  • আপনার কাছে pm-kisan বেনিফিশিয়ারি লিস্ট ওপেন হয়ে যাবে। এই পেজটি ওপেন হয়ে গেলে প্রথমে আপনাকে আপনাদের রাজ্য সিলেক্ট  করে next করবেন।
  •  দ্বিতীয় যে  জিনিসটা করতে হবে আপনার জেলা সিলেট করে নেবেন। 
  •  তৃতীয় যেটা করতে  হবে আপনা কে, sub-district টা সিলেক্ট করে নেবেন। 
  • চতুর্থ অপশনটি রয়েছে আপনার স্থানীয় ব্লক বেছে নেবেন ।
  •   পঞ্চম যে অপশন রয়েছে।  আপনার গ্রামের নাম বেছে  নেওয়ার পর  জেট রিপোর্ট করে দিবেন। 

আপনার কাছে নতুন একটি পেইজ ওপেন হয়ে যাবে।  ওই পেজে আপনার যদি নাম এসে থাকে আপনার গ্রামের যে যে ব্যাক্তি গুলোর প্রধানমন্ত্রী কৃষাণ সম্মান নিধি যোজনা 2020 লিস্ট  পেয়ে যাবেন।

 pm-kisan অ্যাপ ডাউনলোড:

 ভারত সরকার কৃষকদের জন্য আরো সহজ ভাবে আবেদন,  বেনিফিসারী স্ট্যাটাস, কিষান KYC,  নানা রকম তথ্য খুব সহজ পদ্ধতিতে দেখানোর জন্য একটা অ্যাপ লঞ্চ করেছে। pmkisan app download করতে এই অ্যাপটি পাওয়া যাবে অফিশিয়াল সাইট থেকে বা গুগল প্লে স্টোর থেকে। এই অ্যাপটির নাম রয়েছে PMKISAN Gol। যদি এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতে চান তাহলে আপনারা প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। যদি খুশিতে অসুবিধা হয় আপনাদের প্লে স্টোরে তাহলে আপনারা প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ বারে টাইপ করবেন pm-kisan.gov.in এটা দিয়ে  সার্চ করবেন তাহলে আপনারা pm-kisan এর অফিশিয়াল অ্যাপ  রয়েছে এটা খুলে যাবে। সেখান থেকে আপনারা ডাউনলোড করে নিবেন।

 এই অ্যাপটির মধ্যে যদি আপনি রেজিস্ট্রেশন করে নেন বা রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে আপনি ওপেন করেন আপনার সমস্ত তথ্য এক ক্লিকে পেয়ে যাবেন। আপনি কত টাকা পেয়েছেন, এরপরের কিস্তি কবে পাবেন সম্পূর্ণ তথ্য এই অ্যাপের মধ্যে পেয়ে যাবেন।

pm-kisan সম্মন নিধি ইয়জনা পশ্চিমবঙ্গ 

আমাদের পশ্চিমবঙ্গে  কৃষির দিক দিয়ে অন্যান্য রাজ্য থেকে পিছিয়ে নেই। কৃষি কাজ হল অন্যতম হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে  বাংলার মানুষের কাছে। তাই প্রধানমন্ত্রী কিসান সম্মন নিধি যোজনা পাওয়াটা অনিবার্য দরকার রয়েছে।  আমাদের এই রাজ্য তে অনেক গরীব  কিষান বা কৃষক রয়েছে, তাই এই রাজ্য তে এই যোজনা অত্যন্ত প্রয়োজন রয়েছে। অনেক গরিব চাষির রয়েছে যারা চাষ করার জন্য অর্থ সংকটে জন্য  ঠিকভাবে চাষ আবাদ করতে পারেনা। এই যোজনায়  প্রত্যেকটি কৃষক  বছরে প্রায়  6 হাজার টাকা করে  পাওয়ার একটা  সুবিধা ছিল। যদি এই সুবিধা লাভপেত গরিব চাষীরা তাহলে তাদের মুখে হাসি  ফটো।

 পশ্চিমবঙ্গ কৃষক রা প্রধানমন্ত্রী কিষান বন্ধন যোজনা বঞ্চিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ কয়েক লক্ষ কৃষক এই যোজনায় বঞ্চিত হওয়ার কারণ, এই রাজ্যের  মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী কৃষক বন্ধু যোজনা স্বীকৃতি দেয়নি। এই কারণে পশ্চিমবঙ্গের কৃষকেরা বছরে 6 হাজার টাকা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। সারা ভারতবর্ষে এমন কোন রাজ্য নেই যে রাজ্যে পিএম কিষান যোজনা লাভ পাইনি। প্রত্যেকটা রাজ্যের এই যোজনায় কৃষকেরা খুব সুবিধা পেয়েছে বছরে ছয় হাজার টাকা পেয়ে। কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে pm-kisan সম্মন নিধি ইয়জনা লাভ পেয়ে। পশ্চিমবঙ্গ মানুষের এমন একটা দুরবস্থা পড়ে আছে প্রধানমন্ত্রী যোজনা কৃষকদের এই সম্মান দিতে প্রস্তুত কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে কৃষকরা এর সুবিধা পাচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী কৃষাণ যোজনা পাশ হবে কি পশ্চিমবঙ্গে:

আমাদের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য চাইলে অবশ্যই এই যোজনায় লাভ পেতে পারে সমস্ত গরিব চাষি এবং কৃষকদের প্রাপ্য পাওয়া অত্যন্ত দরকার রয়েছে।

pm-kisan samman nidhi yojana west bengal  লাভ দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ কে অনেকবার জানিয়েছে কেন্দ্র সরকার। অনেক  কৃষক বন্ধু রয়েছে যারা এই  যোজনায় নাম নথিভুক্ত করে রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গের কয়েক লক্ষ কৃষক যোজনায় নাম নথিভুক্ত গুলি কেন্দ্র সরকারের কাছে অনলাইনের মাধ্যমে পৌঁছে গিয়েছে।

 অন্যান্য রাজ্যগুলিতে এই  pm-kisan যোজনা গত  2-3 বছর ধরে লাভ পাচ্ছে সমস্ত গরিব কৃষকেরা। এখনো পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের এই লাভের কোন সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। আপনারা যদি এই অফিশিয়াল সাইড  pm-kisan.gov.in  ম্যাপ টি যদি থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারবেন বেনিফিশিয়ারি লিস্ট  শূন্য হয়ে আছে। কারণ মোদি সরকার  pm-kisan এর লিস্ট পশ্চিমবঙ্গের জন্য বন্ধ করে রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে যখন স্বীকৃতি পাবে তখন pm-kisan লিস্ট ওয়েস্ট বেঙ্গল মানুষদের জন্য দেখাবে।


বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০

Bluetooth কি, connect কিভাবে করবেন

আপনি অবশ্যই জানেন ব্লুটুথ কিব্লুটুথ ব্যবহার কিভাবে করতে হয় সেটাও জানেন।  সারা বিশ্বে এমন মানুষ আছে অনেকে ব্লুটুথ connect ঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারে না। সারাবিশ্বে এখন ছোট্ট একটি মিউজিক সিস্টেম থেকে মোবাইল ফোন পর্যন্ত প্রত্যেকটি ডিভাইসের মধ্যে এই সিস্টেম টি লাগানো থাকে। এই ডিভাইসটি মানুষের দেহের কানের ভেতর পর্যন্ত যেতে পারে, এমন ছোট একটি ডিভাইস।
Bluetooth connect karben kibhabe


What is Bluetooth:
 ব্লুটুথ কি 
এই ডিভাইসটি  সাধারণত ইলেকট্রিক ডিভাইস ওয়ারলেস এর মাধ্যমে ডাটা সঞ্চালন করা হয।  এগুলো বেশীরভাগ মোবাইল এবং কম্পিউটার ল্যাপটপ ছোটখাটো মিউজিক সিস্টেম এর মধ্যে দেওয়া থাকে  এবং কম ডিসটেন্স এর মধ্যে  মিউজিক, ফটো, ডকুমেন্টস, ভয়েস, ভিডিও, আদান-প্রদান সঞ্চালন করা হয়। 

how to change bluetooth headphones language
ব্লুটুথ হেডফোনের ভাষা পরিবর্তন কিভাবে করবে?  এইসব হেডফোন গুলিতে সাধারণত তিন চারটে করে  বটম থাকে। যদি ঠিক করে দেখেন বেশিরভাগ হেডফোন গুলিতে মাঝখানে বটন থাকে।  কোন কারনে  এই বটম গুলি প্রেস হয়ে যায়। তার কারণে ভাষা পরিবর্তন হয়ে থাকে।  তো অনেক রকম অনেক ধরনের এই হেডফোন গুলি হয়ে থাকে।  এই ডিভাইসটি অনেক রকমের সমাধান বা ঠিক করার উপায় রয়েছে।  নিচের পয়েন্ট অনুযায়ী আপনাদের ব্লুটুথ গুলি ভাষা ঠিক করতে পারবেন।
 যদি আপনার কোন তার ওয়ালা ব্লুটুথ হেডফোন হয়ে থাকে তাহলে এটাকে ঠিক করার জন্য বা ভাষা পরিবর্তন করার জন্য প্রথমে আপনার ফোনের  ব্লুটুথ টি বন্ধ করতে হবে। এরপর আপনার হেডফোনের যে  শুরু করা এবং বন্ধ করা  বটবটি রয়েছে এই বটম টি দীর্ঘ সময় চেপে রাখবেন যতক্ষণ না আপনার হেডফোনের যদি সিঙ্গেল লাইন হয় বা ডবল লাইট হয তাহলে তাড়াতাড়ি ব্লিনক কর শুরু হবে।  তারপর যেটা করতে হবে আফটার হেডফোনের  প্লাস ও মাইনাস বাটন একসঙ্গে প্রেস করতে হবে তাহলে আপনার ব্লুটুথ ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা চেঞ্জ হয়ে যাবে।
 প্রথম উপায়টি যদি আপনার না কাজ করে তাহলে আপনাকে আপনার হেডফোনের পাওয়ার বটমে  লাইট ব্যাঙ্ক করা অবস্থায় ডবল প্রেস করতে হবে। তাহলে আপনার  ব্লুটুথ ইয়ারফোন টি সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
 অনেক হেডফোন গুলো রয়েছে যেগুলো তার থাকে না।  এইসব হেডফোন গুলিতে যখন ব্লিঙ্ক করবে তখন একসঙ্গে আপনার ডিভাইসটির সবগুলো বণ্টন একসঙ্গে প্রেস করতে হবে। তাহলে হতে পারে আপনার ব্লুটুথ হেডফোন ভাষা পরিবর্তনের সমস্যা সমাধান।

how to connect bluetooth in jio phone

 জিও ফোন থেকে ব্লুটুথ হেডফোন কিভাবে কানেক্ট করবেন। আপনার হেডফোন এর সঙ্গে কানেক্ট করার জন্য একটা সহজ পদ্ধতি রয়েছে। এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করি আপনার ব্লুটুথ ডিভাইস টি কানেক্ট করতে পারবেন। আপনি যদি অন্যান্য ফোন গুলিতে  হেডফোনটি ব্যবহার করেছেন তাহলে এই পদ্ধতি সম্পূর্ণ উল্টো রয়েছে জিও ফোনে। নিচের অপশনগুলো ফলো করে আপনি জিও ফোনের সঙ্গে ব্লুটুথ কানেক্ট করতে পারবেন। 
Stap-1 আপনার ফোনে বাটন প্রেস করে সেটিং অপশনটি ওপেন করে নিন।
Stap-2  ব্লুটুথ অপশন টি ক্লিক করুন।
Stap-3   আপনার ফোনে নিচের অপশনগুলো ওপেন হয়ে যাবে।
ON
OFF
Vidible to all of
My Phone,s Name
Rename My Phone 
Nearby Devices
Paired Devices

 আপনার ফোনে এই অপশনগুলি আসার পর Nearby Devices  এই অপশনে ক্লিক করুন।  আপনি যে ডিভাইসটির সঙ্গে যোগ করতে চাইছেন সেটাকে বা হেডফোনের ব্লুটুথ টি  অন করে দিন। Nearby Devices ক্লিক করার পর দেখবেন আপনার সামনে আপনার ব্লুটুথ হেডফোনের সিগন্যাল চলে আসবে।  আপনার সিঙ্গেল চলে এলে ওখানে ক্লিক করে আমরা ডিভাইসের সঙ্গে বা জিও ফোনের সঙ্গে  কালেক্ট করে নিন।
jio phone se bluetooth home theatre connect
জিও ফোন থেকে হোম থিয়েটার কানেক্ট কিভাবে করবেন?  জিও ফোন থেকে যে কোন ডিভাইসে কানেক্ট করার জন্য আপনার হোম থিয়েটার বা এমপ্লিফায়ার হোক সবেতেই একই রকম প্রসেস রয়েছে।
  জিও ফোন থেকে ব্লুটুথ হেডফোন কিভাবে কানেক্ট করবেন এই প্রসেস টি ফলো করে আপনার ডিভাইসের সঙ্গে হোম থিয়েটার কিংবা এমপ্লিফায়ার সঙ্গে কানেক্ট করতে পারবেন। জিও ফোন থেকে আপনি যে কোন  ডিভাইসের সঙ্গে কানেক্ট  করুন খুব সহজে।

how to make a bluetooth earphon
কিভাবে একটি ব্লুটুথ ইয়ারফোন তৈরি করতে চাইছেন? তাহলে আপনাকে কয়েকটি জিনিস প্রয়োজন  উপকরণগুলি রাখা দরকার। সবচেয়ে প্রথমে যে উপকরণটি লাগবে  ব্লুটুথ ওয়ারলেস বোর্ড। এই বোর্ড গুলি আপনি অনলাইনে পেয়ে যাবেন। সাধারণভাবে এই ওয়ারলেস বোর্ড বড় সাইজের হয়।  মাইক্রো সাইজ ব্লুটুথ বোর্ড অনলাইনে পাওয়া অসম্ভব। ঘরে পড়ে থাকা একটি ইয়ারফোন লাগবে। ইয়ারফোন টি কেটে ব্লুটুথ সেট করার জন্য প্রয়োজন রয়েছে। 3 volt battery  একটি লাগবে ছোট আকারের প্রয়োজন।  আরেকটি মাইক্রোফোনের প্রয়োজন রয়েছে।
 এই ব্লুটুথ ওয়ারলেস বোর্ড টি  6 টি আউটপুট রয়েছে। প্রথমে দুটো আউটপুট ব্যাটারি কানেকশনের জন্য। দ্বিতীয় যে  আউটপুট টি রয়েছে ভয়েস রিসিভিং ইনপুটের জন্য। 
তৃতীয় যে আউটপুট রয়েছে অডিও আউটপুট এর জন্য এটাকে সেট করে আপনারা ঘরে বসে ব্লুটুথ তৈরি করতে পারবেন। এই বোর্ড টি সাধারোনত এমপ্লিফায়ার, হোম থিয়েটার, টিভি, বড় বড় মাইকের মেশিনে লাগানো থাকে। আপনি যদি ঘরে বসে এই গেজেট টি তৈরি করতে চান তাহলে সাইজ একটু বড় হয়ে যেতে পারে। মাইক্রো সাইজের  মাদারবোর্ড গুগলি পাওয়া  অসম্ভব রয়েছে।
Rules for using Bluetooth headphones:
ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহারের নিয়ম কি?
হেডফোন কিংবা ইয়ারফোন গুলির ব্যবহার আমাদের সঠিকভাবে করা দরকার। হেডফোন কিংবা ইয়ারফোন গুলি খুব মাইক্রো হয়ে থাকে। আমাদের সাবধানতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি । এর কারণ এই ডিভাইসটি খুব ছোট এবং কানের মধ্যে থাকে। যেহেতু আমাদের শরীরের মধ্যে থাকে এর জন্য সাবধানতা অবলম্বন করা খুবই প্রয়োজন  শীল হওয়া দরকার।
  • ব্লুটুথ ইয়ারফোন গরম জামা কাপড়ের মধ্যে  একেবারে রাখা উচিত নয়। এর ফলে আপনার ইয়ারফোন টি খারাপ হয়ে যাবার চান্স অনেকটা বেড়ে যায়।
  •  ব্লুটুথ হেডফোন চার্জ এর সময় উল্টোপাল্টা চার্জারে চার্জ দেওয়া একেবারে উচিত নয় এতে আপনার ব্যাটারির ক্ষতি হতে পারে।
  • এই ছোট্ট ডিভাইসগুলি চার্জের সময় অবশ্যই কাছাকাছি থাকবেন ফুল চার্জ হয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গে চার্জ পিন খুলে নেবেন।
  •  ব্লুটুথ হেডফোন রেট কম যেগুলোর সেগুলো কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে আপনার কানের এবং তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাবার চান্স অনেক বেড়ে যায়।
  • এই ডিভাইসগুলি সব সময় তার ওয়ালা সিস্টেমগুলি কিনা চেষ্টা করবেন। এগুলো পড়ে গেলে অথবা ফেটে গেলে আপনার শরীরের কোন প্রবলেম হবে না।
  • সেই ছোট্ট ডিভাইসগুলি চার্জিং এর সময় গরম যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় যতনে থান্ডা  না হয় কানের মধ্যে কখনোই রাখবেন না। এতে আপনার কানের ক্ষতি হতে পারে।
আপনারা জানলেন Bluetooth কি, connect কিভাবে করবেন  যেকোনো ডিভাইসের সঙ্গে এবং কিভাবে তৈরি করবেন।  শুধু তাই নয় ব্লুটুথ হেডফোন বা ইয়ারফোন সঠিক ব্যবহার করার পদ্ধতি এই আর্টিকেল এর মধ্যে দোয়া রয়েছে। আশা করি আর্টিকেল এর মধ্যে আপনাদের বুঝাতে পেরেছি।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০

ব্লগার বা ব্লগিং কি, রোজগার কিভাবে করবে ?

ব্লগার বা ব্লগিং কি, রোজগার কিভাবে করবে ?
বর্তমান ইন্টারনেট দুনিয়ায় ব্লগিং সম্বন্ধে জানেনা এমন মানুষ পাওয়া কঠিন আছে। আমাদের সমাজে এখন প্রত্যেক মানুষের কাছে ইন্টারনেটের ব্যবস্থা এবং একটি করে স্মার্টফোন রয়েছে। যে সব ব্যক্তিরা ব্লগিং সম্বন্ধে জানে না তাদের  জানানোটা অবশ্য দরকার। বিশ্বের উন্নতি এবং অর্থনৈতিক দেশগুলিতে  ব্লগিং পেশা হয়ে উঠেছে।   যেসব মানুষরা পার্ট টাইম ইনকাম করতে চাইছে। মানুষরা এই  ব্লগিং  কে পেশায় পরিণত করেছে।  বিশ্বের প্রথম ইন্টারনেট দুনিয়ায় ফ্রিতে রোজগার করার একটা রাস্তা তৈরি করেছে এই ব্লগিং।

blog theke rojgar korbe kibhabe


ব্লগার কি ?

 ব্লগ শব্দ বা ভাষাটি ইংরেজ Blog এর  সাধারণত বাংলা প্রতিশব্দ  হিসেবে জানা যায়। What is Blogger এই শব্দটির অর্থ দেখতে গেলে অনলাইন ব্যক্তিগত যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম দ্রুত মাধ্যম। Blog  ইংরেজির শব্দটি হয় Weblog ছোটখাটো রূপ  বা সংক্ষিপ্ত রূপ।  যে সব মানুষেরা  ইন্টারনেট দুনিয়ায় পোস্ট করে এইসব ব্যাক্তিদের ব্লগার বলা হয়।  এইসব মানুষেরা ইন্টারনেটের বা ওয়েবসাইট থেকে নানা রকম তথ্য সংগ্রহ করে নিজের মতো করে মতভেদ প্রকাশ করে মানুষের মধ্যে নিয়ে আসে।  কনটেন্ট  গুলো পড়ে নিজের মতভেদ প্রকাশ করতে পারে। 
 বর্তমান সমাজে এই ব্লগগুলি  সংবাদমাধ্যম হয়ে ফুটে উঠেছে সারাবিশ্বে।  প্রতিনিয়ত যেসব ঘটনা গুলি ঘটছে সেই সব ঘটনা বহু ব্লগাররা প্রতিনিয়ত আপডেট করে মানুষের কাছে নিয়ে আসছে।  প্রথম প্রথম মানুষেরা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করত  ব্লগটিকে।
  বর্তমান বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগের ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে এই ব্লগের মাধ্যমে।  অনেকে আছে যারা ব্লক এবং ওয়েবসাইটের পার্থক্য বোঝে না। কারণ দুটোই প্রায় একই ধরনের হয়ে থাকে। ওয়েবসাইট গুলোকে  আপডেট করা হয় অনিয়ম ভাবে এবং ব্লগ গুলো আপডেট করা হয় নিয়ম বিধি মেনে। এটাই হলো ব্লগ  এবং ওয়েবসাইট মধ্যে মূল পার্থক্য। অনেক ওয়েবসাইট এবং ব্লগগুলি বর্তমান দুনিয়ায় প্রতি মিনিটে আপডেট করা হয়।

ব্লগিং কি বা ব্লগ কাকে বলে: 
  যেকোনো একটা ওয়েবসাইটে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে পাঠকদের মতামত  দেওয়ার জন্য তুলে ধরা  এবং যোগাযোগ মাধ্যম সক্রিয় রাখার কে ব্লগিং বলে।  What is blogging or what does a blogger say?  সংক্ষেপে যদি বলি যেকোনো বিষয়ের ব্লগ এবং ওয়েব সাইট গুলোতে লেখালেখি করা হয় তাকেই ব্লগিং বলে। সাধারণভাবে বলা যেতে পারে  এই ব্লগিং গুলি নানারকম বিষয়ের হয়। যেমন কাহিনী, ভ্রমণ,  টেকনোলজি, এডুকেশন,  রাজনীতি,  সংবাদ এবং ইত্যাদি। আপনার জীবন কাহিনী ডায়েরির মত এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে রাখা। 

ব্লগিং শুরু করবো কিভাবে :

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে কিছু কথা মাথায় রাখা দরকার না হলে শুরু করার পর মুখ থুবড়ে পড়তে পারেন বা অযথা কাজ করা বৃথা হতে পারে। How to start blogging? ব্লগিং করার আগে নিচের পয়েন্টগুলি অবশ্য পড়ে নিন।  তারপর ব্লগতৈরি করে আপনারা কাজ করতে পারেন।

  • ​ ব্লগ তৈরি করার আগে আপনাকে ভেবে নিতে হবে আপনি কোন বিষয়ে ব্লগটি তৈরি করতে চলেছেন।
  • ​ ব্লগ গুলিকে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে হবে যাতে মানুষের বুঝতে সুবিধা হয় এবং জানতে সুবিধা হয়।
  • ​ আপনার যে বিষয়ের সুবিধা হবে বাল লিখতে ভালোবাসেন সেই বিষয়ের  সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকা দরকার।
  • ​ ব্লগ গুলিকে সাজিয়ে  লিখতে হবে যেমনটা আমরা প্যারাগ্রাফ লিখি।
  • ​ যে বিষয়ে লিখবেন অন্য কোথাও কপি করে লেখার চেষ্টা করবে না। যে বিষয়টি অন্য কেউ লিখেছে সেটাকে আপনি অন্য ভাবে লিখতে পারেন।
  • ​ ব্লগ যেহেতু গুগোল কোম্পানির তাই এরা ইউনিক কিছু চায় তাতে আপনার আর্টিকেল বা প্যারাগ্রাফটি মানুষের কাছে পৌঁছায়।
  • ​ যে বিষয়ে ভালো লিখতে পারেন বা বুঝতে পারেন সেই বিষয়ের লেখার চেষ্টা করবেন তাহলে আপনার ব্লগ টি রংকে আসবে।
  •  ব্লগিংয়ের এইসব বিষয় গুলি আপনাকে সব সময় মনে রাখতে হবে।

কিভাবে ব্লগ তৈরী করব:

 আপনারা ভাবছেন ব্লগ তৈরি করবে কিভাবে? How to create blog? ব্লক তৈরি করার আগে আপনাকে একটা জিমেইল অ্যাকাউন্ট বানাতে হবে। যে জিমেইল টা আপনি সচরাচর ব্যবহার করবেন বা আপনার কাছে যে কোন একটা জিমেইল অ্যাকাউন্ট হলে হবে। এই জিমেইল একাউন্টের পাসওয়ার্ড সব সময় মনে রাখতে হবে না হলে আপনি ব্লগ টি হারাতে পারেন।
Stap-1  আপনাকে ব্রাউজার ওপেন করে সার্চ বারে গিয়ে টাইপ করুন Blogger.com।   টাইপ করার পর ওই তাকে সার্চ দিন তাহলে আপনার কাছে blogger.com এর অফিশিয়াল সাইট ওপেন হয়ে যাবে। 
Stap-2 এখানে সামনের কনে ব্লগার বলে লেখা থাকবে এবং অপর একটি কনে সাইন ইন এর বাটন থাকবে এগুলো কিছু করতে হবে না আপনাকে মাঝখানে create your blog বলে আসবে  ওইখানে ক্লিক করতে হবে।
Stap-3 নতুন টেপ ওপেন হয়ে যাওয়ার পরে এখানে আপনি আপনার জিমেইল একাউন্ট টাইপ করবেন।  নিচের দিকে Next টিতে ক্লিক করুন। তারপর ওই জিমেইল অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড চাইবে পাসওয়ার্ড দিয়ে next করে দেবেন। 
Stap-4  আপনার কাছে নতুন একটি উইন্ডো ওপেন হয়ে যাবে। আপনাকে আপনার ব্লগের টাইটেল দিতে হবে। Blog title  এমন ভাবে দেবে সম্পূর্ণ ইউনিক এবং নতুন হতে হবে। 
Stap-5  টাইটেল অনুযায়ী আপনাকে address অপশেন দিতে হবে ডোমেন নেম।   এই ডোমেইন নামটি পর .blogspot.com  যোগ হবে।  যদি  আপনি কাস্টম ডোমেন ব্যবহার করেন তাহলে আপনার  ব্লগতে, ব্লগস্পটি  উঠে যাবে।  কাস্টম ডোমেইন নেম কেনার জন্য আপনাকে কিছু অর্থ ব্যয় করতে হবে প্রায় 100 থেকে 900 টাকা পর্যন্ত হতে পারে। যদি আপনি ফ্রিতে ব্যবহার করেন তাহলে এসবের কিছু দরকার নেই।
Stap-6  এরপরের  অপশন টি রয়েছে  নিচের দিকে এটাকে  থিম বলে।  এখানে আপনারা অনেক ধরনের থিম পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দসই  থিমটি ক্লিক করে এরপরের পেজে যেতে পারেন নিচে ক্রিয়েট বাটনে ক্লিক করে। এরপরের পেজে এমন কিছু নেই জাস্ট এখানে নো থ্যাংকস করে দেবেন। তারপর আপনি ব্লগারের দেশ বাড়ি পৌঁছে যাবেন
Stap-7 স্টেপ সেভেনে আপনার কাছে অনেকগুলি অপশন চলে আসবে তার মধ্যে রয়েছে
Posts
All
Stats
Comments
Earnings
Pages
Layout
Theme
Settings
Reading List
Help & Feedback

 এই অপশন গুলো পেয়ে যাবেন ।  এখানে যে Pages  অপশনটি যে রয়েছে এখানে তিনটে পেজ গঠন করতে হবে। পেজের যে নামগুলো হবে contact us, private policy, about us  এই তিনটে পেজ গঠন করতে হবে।  এই পেইজগুলো গঠন করার কারণ আপনার সঙ্গে কন্টাক্ট এর মাধ্যমে যোগাযোগ করতে, আপনার সম্বন্ধে জানতে পারে এবং আপনি কি কারনে বানিয়েছেন ব্লক টি এবং এই ব্লগের মাধ্যমে মানুষকে কি দিতে পারবেন। এই তিনটে পেজ করা অত্যন্ত প্রয়োজন রয়েছে। 

ব্লগ লেখার নিয়ম কি:

​আপনাকে  কিছু টাইপ করে লিখে রাখা দরকার সেগুলো আপনাকে প্রথমত ব্যবহার করতে হবে। What are the rules for writing blog? সেগুলো আপনি পয়েন্ট হিসাবে দিয়ে রেখেছিস অবশ্যই সেগুলো পড়বেন।


  1. ​ প্রথমত আপনাকে তিনখানা পেজ তৈরি করে রাখতে হবে।  না হলে এডসেন্স কিংবা অন্যান্য নেটওয়ার্কগুলো রয়েছে এড দেওয়ার জন্য  এডভেটাইজ এর জন্য অনুমতি দেবে না।
  2. ​ প্রত্যেকটা প্যারাগ্রাফের পয়েন্টগুলো হাইলাইট করে লিখতে হবে।
  3. ​যেটা লিখবে পুরোপুরি লেখার চেষ্টা করবেন না হলে ব্লক অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
  4. ​ এমনভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরবেন যেগুলো আগে কখনো মানুষ ঠিকভাবে জানে না, সেইসব প্যারাগ্রাফ গুলি লেখার চেষ্টা করবে।
  5. ​ 70 থেকে 100 খানা ওয়ার্ড হয়ে গেলে একটা করে লাইন ছেড়ে লেখার চেষ্টা করবেন তাহলে যিনি পড়বেন তার পড়তে সুবিধা হবে আর্টিকেল  বা প্যারাগ্রাফ গুলি।

 ব্লগিং করে রোজগার কিভাবে করবেন :

 ব্লগিং করে রোজগার করার জন্য আপনাকে অবশ্যই অ্যাডসেন্স বা  অন্যান্য  অ্যাড নেটওয়ার্কের  সম্বন্ধে জেনে নেওয়া দরকার। How to make money blogging? আপনার সাইটে যদি এড না আসে তাহলে কোন মতেই সম্ভব নয় রোজার করা। এটা নেওয়ার জন্য সবচেয়ে বেস্ট প্ল্যাটফর্ম হল অ্যাডসেন্স। 
 অ্যাডসেন্স হল গুগোল এর কোম্পানি। আপনারা জানবেন ইউটিউব গুগল এডসেন্স সহ অনেকগুলো এদের অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট গুলো রয়েছে।

 এইসব ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে অ্যাড গুলি সম্প্রচার করে এডসেন্সের মাধ্যমে।  আপনি যদি  ব্লগ টির  ড্যাশবোর্ডে যান তাহলে দেখতে পাবেন earning আর্নিং বলে একটি অপশন আসবে এবং আর্নিং এর সাইডে একটি ডলারের সিম্বল রয়েছে। ওই আর্নিং-এ গিয়ে যদি ক্লিক করেন আপনার সামনে নতুন একটা  পেজ ওপেন হয়ে যাবে।  এখানে দেখতে পাবেন Visit AdSense for details of my earnings বা Switch AdSense account  এই লিখাটি।  এখানে ক্লিক করে আপনি সোজা এডসেন্সের পেজে পৌঁছে যাবেন ।
  অ্যাডসেন্সে গিয়ে আপনার একাউন্ট ক্রিয়েট করে নিবেন। আপনার ব্লগার এর যতক্ষণ না 20 থেকে 25 টি আর্টিকেল প্যারাগ্রাফ লিখতে পারছেন ততক্ষণ আপনাকে এডসেন্স এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে।  আরো বিস্তারিত জানার জন্য আপনি ইউটিউবে গিয়ে বাংলায় অনেক ভিডিও রয়েছে সেগুলো দেখতে পারেন এবং শিখতে পারেন।  এডসেন্স থেকে কিংবা অন্যান্য নেটওয়ার্ক থেকে অ্যাড চালালে এখান থেকে ভালো অংকের পয়সা পেতে পারেন। 
নিশ্চয়ই আপনারা এখান থেকে জানতে পারলেন   

  • ব্লগার কি:  
  • ব্লগিং কি বা ব্লগার কাকে বলে:
  • ব্লগিং শুরু করব কিভাবে:
  • ​ কিভাবে ব্লক তৈরি করব :
  • ​ ব্লক লেখার নিয়ম কি:
  • ​ ব্লগিং করে রোজগার কিভাবে করবেন:
এই ছিল ব্লগ টির বিষয়গুলি। আপনার কেমন লাগলো কমেন্ট করতে ভুলবেন না এবং ফলো করার চেষ্টা করবেন। 




রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০

বাংলা আবাস যোজন 2020 | Bangla awas yojana 2020-21

বাংলা আবাস যোজন  আপনি কি জানেন বাংলা আবাস যোজনায়  ঘর কিভাবে পাবেন বা বাংলা আবাস যোজনা নাম নথিভুক্ত করবেন কিভাবে বা আবাস যোজনা কত টাকা পাবেন এবং বাংলা আবাস যোজনা লিস্ট দেখবেন সম্পূর্ণ তথ্য এখানে রয়েছে

 Bangla awas yojana 2020-21



বাংলা আবাস যোজন-2


 গত কয়েকদিন আগে পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা ব্যানার্জি তিনি ঘোষণা করেছেন। বাংলায় যত গরিব মানুষ রয়েছে, যাদের ঘর বানানো সক্ষম নন, তাদের জন্য একটা নতুন প্রকল্প চালু Bangla Awas Yojana 2020 চলেছে। বাংলা আবাস যোজনা 2020। এই আবাস যোজনা যারা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় কোনো কারণবশত কোন ঘর বা আবাস পাইনি সেই সব ব্যক্তিরা এই আবাস যোজনা নামগুলো নথিভূক্ত করতে পারবেন। বাংলা আবাস যোজনার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কয়েক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে । এই প্রকল্প টি খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে বলে জানা যাচ্ছে।

  বাংলা আবাস যোজনা ঘর কারা পাবেন ?

  এই বাংলা আবাস যোজনা যাদের নাম গুলো নথিভুক্ত হবে সেগুলো আপনাদের জানা দরকার। কারণ দেখা গিয়েছে যাদের পাকা বাড়ি রয়েছে তারা অনেক মানুষ আবেদন করে ফেলে। Banglar Awas Yojana list 2020 এতে অনেক বিপত্তি আছে। বাংলা আবাস যোজনা আবেদন করার আগে Bangla Awas Yojana list 2019 West Bengal এই বিষয়গুলি খুব জেনে নেওয়া দরকার।
  • যেসব ব্যক্তির কোন পাকা ঘরে নেই শুধু তারাই আবেদন করতে পারে।
  • যেসব ব্যক্তির বাৎসরিক ইনকাম 1 লাখ টাকার নিচে।
  • আপনাকে বিপিএল  রেশন কার্ড থাকা বাঞ্ছনীয় হতে হবে।
  • পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে স্থায়ী বাসিন্দা থাকা দরকার।
  • আপনার নামে জমিনের দলিল কিংবা রেকর্ড থাকা অবশ্য প্রয়োজন আছে।
  • সরকারি চাকুরিজীবি পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনা  নাম নথিভুক্ত করতে পারবে না।
  এই 6 টি বিষয় মনে রাখে আপনাকে পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনা নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন।

  বাংলা আবাস যোজনা নাম নথিভুক্ত কিভাবে করবেন
  বাংলা আবাস যোজনা নাম  নথিভুক্ত করার জন্য আপনাকে অনেকগুলো নির্দেশ আছে যেগুলো উপরে দেওয়া রয়েছে। Bangla Awas Yojana application form এর মধ্যে আপনি যদি আসেন তাহলে আপনার গ্রাম পঞ্চায়েত অথবা গ্রাম প্রধান অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারবেন। বাংলা আবাস যোজনা কাজ গত কয়েকদিন আগে চালু হয়ে গিয়েছে। অনেক জায়গায় এই নথিপত্রগুলো গ্রামের পঞ্চায়েত, গ্রাম প্রধান,  বিডিও অফিস থেকে কিছু মানুষ গ্রামে গ্রামে গিয়ে ঘর পরিদর্শন করে। নামের লিস্ট তৈরি করার জন্য এরা কাজ চালু করে দিয়েছে।

জানা গিয়েছে বাংলা আবাস যোজনার নথিপত্র গুলি নিয়ে একটা লিস্ট ইতিমধ্যে আপনার স্থানীয় বিডিও অফিসে জমা পড়ে গিয়েছে। Bangla Awas Yojana application form আপনি যদি নাম নথিভূক্ত করাতে চান তাহলে আপনার স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত কিংবা গ্রাম প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করে নাম নথিভুক্ত করাতে পারেন।

বাংলা আবাস যোজনা লিস্ট কিভাবে দেখবেন

 বাংলা আবাস যোজনা লিস্ট এখনো বেরোয়নি।  bangla awas yojana new list 2020-21 বাংলা আবাস যোজনা লিস্ট যদি আসে আপনাদের, গ্রাম পঞ্চায়েত এবং গ্রাম প্রধান থেকে জানানো হবে। এই লিস্ট অনলাইন প্রকাশ নাও হতে পারে। অনলাইন লিস্ট যদি আসে, তাহলে এই ওয়েবসাইটটিতে থেকে আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে। bangla awas yojana new list 2020-21 যদি এই লিস্ট এসে থাকে, তাহলে আপনার গ্রাম পঞ্চায়েত কিংবা বিডিও অফিস থেকে বাড়ি বাড়িতে গিয়ে জানিয়ে আসবে। আরো কিছু নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য আবেদন করা হইবে।

 বাংলা আবাস যোজনা 2020 কত টাকা পাবে

 জানা গিয়েছে বাংলা আবাস যোজনার জন্য প্রত্যেকটা  আবেদনকারী পাবে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা। কিন্তু এই বিষয়ে স্পষ্ট কোন তথ্য জানা যায়নি। কারণ অনেক ওয়েবসাইট আর্টিকেল লিখে রেখেছে 2 লক্ষ 40 হাজার টাকা পাবে আবেদনকারীরা। Bangla Awas Yojana new list আমাদের কাছে পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রত্যেকটা বেনিফিসারী পাবে 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা।  এই এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা কয়েকটি ইন্সটলমেন্টে দেওয়া হইবে। আশা করা যাচ্ছে বাংলা আবাস যোজনা প্রথম কিস্তি যে টাকা আসবে প্রায় পঞ্চাশ হাজারের মতো

 দ্বিতীয় কিস্তি যে টাকাটা আসবে, সেটা 40 হাজারের মতো। বাংলা আবাস যোজনা আপনার যদি ঘর কমপ্লিট হয়ে যায়, শেষ ইনস্টলমেন্ট  পাবে 10 10 হাজার টাকা। আপনারা ভাবছেন আর কুড়ি হাজার টাকা কিভাবে পাব? এটার জন্য আপনার কাছে জব কার্ড থাকতে হইবে। ওই জব কার্ডের মাধ্যমে আপনাকে একশ খানা মেন্টেন এর  টাকা ব্যাংক একাউন্টে প্রেমেন্ট করা হইবে।

 যদি আপনি কোনো কারণবশত  জব কার্ডে  50 টা কাজ করে ফেলেছেন, তাহলে আপনি 50 খানা মেন্টেন এর দাম পাবেন। হতে পারে আপনি একশো খানা ও দাম পেতে পারেন। Bangla Awas Yojana new  এটা কোন প্রশ্ট ভাষায় জানা যায়নি। সম্পূর্ণ তথ্য এলে আপনাদের নিশ্চয়ই জানানো হইবে।

 বাংলা আবাস যোজনার টাকা কবে থেকে  ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসবে

 বাংলা আবাস যোজনা  টাকা যে বরাদ্দ করা হয়েছে, সেই টাকা একাউন্টে আসার জন্য একটু টাইম লাগবে বলে জানা গিয়েছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা যতগুলো বাড়ি এসেছে, সবগুলো কমপ্লিট হতে দুই হাজার কুড়ি অক্টোবর নভেম্বর মাস পর্যন্ত বা ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত লেগে যেতে পারে Bangla Awas Yojana new list। তাছাড়া করুনা  ভয়াবহ সময় চলছে, তাই দেরি হতে পারে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা কম্পিলিট হলে বাংলা আবাস যোজনা সুরু হবে। 

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০

West Bengal check Madhyamik Results 2020,  মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখবেন কিভাবে?

West Bengal check Madhyamik Results 2020, মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখবেন কিভাবে?

West Bengal check Madhyamik Results 2020
আপনি কি মাধ্যমিক রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা রয়েছে ন বা মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখবেন কিভাবে? এই website গুলিতে Madhyamik Results 2020 দেখতে পারেন ।


indiaresults.com
2. wbbse.org
3. wbresults.nic.in

indiaresults.com এই website তে ক্লিক করলে আপনাকে একটা মেন website তে পৌছে যাবে। ওই খান থেকে সরাসরি আপনি online সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক রেজাল্ট ও দেখায়াবে। মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখার জন্য আপনাকে কয়েক টা বিষয় মনে রাখতে হবে এবং  এই নির্দেশ গুলি অবশ্য অনুসরন করুন। 
1. indiaresults.com এই ওয়েবসাইটি আপনি আপনার মোবাইল কিংবা কম্পিউটার থেকে টাইপ করে সার্চ দিন। 


2. আপনার সামনে একটা নতুন ইন্টারফেস আসবে এবং এই ইন্টারফেসে প্রত্যেক টা রাজ্যের নাম থাকবে। রেজাল্ট জানতে আপনি WB তে ক্লিক করুন। 
3. আপনার সামনে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সমস্ত পরীক্ষার রেজাল্ট এর আন্ডার লাইন লিখা পাবে। এর মধ্যে প্রথম আন্ডার লাইন  (West Bengal Board Of Secondary Education) এই লিখা তে ক্লিক করুন। 
4 . আপনার সামনে পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিকে রেজাল্ট এর সমস্ত তথ্য বেরিয়ে আসবে। এইখানে একটু নিচে দেওয়া আছে 

5. এই জায়গায় তিনটি বক্স দেওয়া আছে। প্রথম বক্সে  আপনার রোল নম্বর এবং আপনার জন্ম তারিখ , দ্বিতীয় বক্সে আছে ফোন নাম্বার ও তৃতীয় বক্সে আছে ইমেল আইডি। এই সম্পুর্ন তথ্য দিয়ে সেভ করে দিন।



মাধ্যমিক রেজাল্ট দেওয়ার আগে আপনাকে নটিফিকেসন দিয়ে দেবে এবং আপনার মাধ্যমিক রেজাল্ট খুব তাড়াতাড়ি পেয়ে যাবেন।



wbbse.org  এবং wbresults.nic.in এই দুটি ওয়েব সাইটে সুধু মাত্র পশ্চিমবঙ্গ সমস্ত ধরনে রেজাল্ট, পরীক্ষার ডেট, পরীক্ষার রুটিন, আপডেট পেতে পারেন। উপরে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সামান্য কিছু পরিবর্তন থাকতে পারে। মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখতে আপনার কোন সমস্যা হবেনা। 

খুব দ্রুত যদি মাধ্যমিক রেজাল্ট পেতে চাও তবে এই নির্দেশ আপনাকে মানলে খুব তাড়াতাড়ি আপনি রেজাল্ট দেখবেন। 
1. আপনার মোবাইল কিংবা কম্পিউটার তে 15 মিনিট আগে website টি ওপেন করে রাখতে হবে। 
2. একবার তে যদি রেজাল্ট না আসে তাহলে বার বার চেষ্টা করবেন। 
3. প্রত্যেক এক মিনিট ছাড়া রিফ্রেশ করুন। 
4. এমন একটা জায়গায় খুঁজুন জেখানে internet speed খুব দ্রুত হয়। internet speed কম হলে আপনার পেজ লোড হতে টাইম লাগবে। 
5. মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখার সময় আপনার এডমিট কার্ড টি সঙ্গে রাখবে। 
6. সব থেকে দ্রুত মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখার website হলো indiaresults.com ।
7. মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখার সময় মাঝে মাঝে internet সার্ভার ডাউন হতে পারে, এর জন্য হতাশ হওয়া উচিৎ নয়। 
মোবাইল কিংবা কম্পিউটার তে 15 মিনিট আগে website টি ওপেন করার কারন
মাধ্যমিক রেজাল্ট জানতে অনলাইনে অনেক মানুষ মোবাইল কিংবা কম্পিউটারে সামনে বসে থাকে। পশ্চিমবঙ্গে কয়েক লক্ষ মানুষ একি website তে ভিজিট করে। এই কারনে website সার্ভার ডাউন হয়ে যায়। ধরাজাক একটি website তে দুই লক্ষ মানুষ ভিজিট করতে পারে কিন্তু ওই website তে পাঁচ লক্ষ মানুষ ভিজিট করলে দুই লক্ষ মানুষের পর যত ভিজিটার আসবে সবার কাছে সার্ভার ইরোর আসবে। সেই কারনে 15 মিনিট আগে website টি ওপেন করবেন।

একবার তে যদি রেজাল্ট না আসে তাহলে বার বার চেষ্টা করার কারন কি? 
অনেক সময় কি হয় আপনার মাধ্যমিক রেজাল্ট টি আপডেট হতে দেরি হয়, ওই মুহূর্তে আপনি মাধ্যমিকে রেজাল্ট দেখতে রিকুযেস্ট দিলেন website-য়ে। ওই সময়ে আপনার মার্কসিট আপলোড করা হয়নি এই কারনে একবার তে যদি রেজাল্ট না আসে তাহলে বার বার চেষ্টা করবেন। 

প্রত্যেক এক মিনিট ছাড়া রিফ্রেশ করার কারন কি?
অনেকে কিকরে মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখার দেখার জন্য অনেক রকম website খুলে বসে থাকে। আপনি যদি রিফ্রেশ না করে তাহলে নতুন করে আপডেট থাকেনা। ওই সময় আপনি যখন রেজাল্ট দেখতে চাওয়া হয়, তখন নতুন করে website টি ওপেন হয়। এর জন্য আপনার রেজাল্ট দেখতে দেরি হতে পারে। 

 internet speed খুব দ্রুত রাখতে হবে কেন?
internet speed কম হলে আপনার পেজ লোড হতে টাইম লাগবে। সেই মুহুর্তে আপনার জায়গা টি থেকে আপনি বেরিয়ে চলে যাবে। যদি আপনার internet speed খুব সুন্দর হয় তাহলে খুব সহজে এবং খুব দ্রুত মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখবেন। তাই এমন একটা জায়গায় জান যেখানে internet speed খুব দ্রুত হয়।

 রেজাল্ট দেখার সময় আপনার এডমিট কার্ড টি সঙ্গে রাখবে কেন?
রেজাল্ট দেখার সময় আপনার এডমিট কার্ডের নম্বর অনেক ছেলে মেয়ে ভুলে যায়। এমন সময় আপনি কিছুতেই মনে করতে পারছেন না এবং সেই মুহূর্তে যদি আপনার এডমিট কার্ড সঙ্গে থাকে তাহলে মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখার কোন অসুবিধা হবেনা। মাধ্যমিক রেজাল্ট যদি অনলাইনে দেখেন, তাহলে অবশ্য মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড কাছে রাখবে। 

সব থেকে দ্রুত মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখার website হলো indiaresults.com
আমরা সবাই জানি এবং জারা জানেনা ওই সব ছেলে মেয়ে wbbse.org কিংবা wbresults.nic.in এই দুটি website ওপেন করে বসে থাকে। এই দুটি website অতিরুক্ত ভিজিটারের কারনে সার্ভার ডাউন হয়ে যায়। এই কারনে ছেলে মেয়ে রি মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখার খুব অসুস্থ বোধ করে। indiaresults.com এই website টি খুব দ্রুত কাজ করে। এর জন্য মাধ্যমিকের সমস্ত ছাত্র ছাত্রীদের বলবো সবাই এই indiaresults.com গিয়ে মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখুন। 

মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখার সময় মাঝে মাঝে internet সার্ভার ডাউন হতে পারে, এর জন্য হতাশ হওয়া উচিৎ নয়। এই কারনে মাধ্যমিক ছাত্র ছাত্রীরা ঘরের সামনে সাইবার কেফ তে ছুটে । তাই আমি অনেক আগে বলে দিয়েছি। অনেক কারনে রেজাল্ট দেখার অসুবিধা হতে পারে। তাই বলে মন খারাপ একেবারে করা উচিৎ নয়।